BAJUS Gold Price Calculator — Calculate Gold Rate

Calculate accurate gold prices in vori and grams using BAJUS certified gold rates. Free online gold calculator for 22K, 21K, 18K & 24K carat gold in Bangladesh.

Rate Source: BAJUS Market Rate — Open for all

BAJUS স্বর্ণ ক্যালকুলেটর — সোনার দাম হিসাব করুন ভরি, আনা, রতি ও গ্রামে (অটো BAJUS রেট সহ)

সোনার গয়না কিনতে বা বিক্রি করতে গেলে সবার আগে দরকার হয় একটা সঠিক হিসাব — এই ওজনের এই ক্যারেটের সোনার দাম আজকের বাজার রেটে ঠিক কত হবে? এই হিসাবটা হাতে করতে গেলে আগে বাজুসের আজকের রেট জানতে হয়, তারপর ওজনকে সঠিক এককে রূপান্তর করতে হয়, তারপর গুণ করতে হয় — পুরো প্রক্রিয়াটা ঝামেলার এবং ভুলের সম্ভাবনা থাকে।

SonarDaam-এর BAJUS স্বর্ণ ক্যালকুলেটর এই পুরো প্রক্রিয়াটাকে এক ধাপে নামিয়ে এনেছে — ওজন দিন, ক্যারেট বাছুন, বাকি সব কাজ ক্যালকুলেটর নিজেই করে নেয়।

এই ক্যালকুলেটরের সবচেয়ে বড় পার্থক্য: BAJUS অটো-রেট

বাজারে আরও কিছু অনলাইন গোল্ড ক্যালকুলেটর আছে, কিন্তু বেশিরভাগেই আজকের সোনার দাম নিজেকে ম্যানুয়ালি লিখে দিতে হয়। মানে আগে বাজুসের ওয়েবসাইটে গিয়ে দাম দেখো, তারপর ক্যালকুলেটরে গিয়ে সেটা টাইপ করো — দুটো কাজ আলাদাভাবে করতে হয়।

SonarDaam ক্যালকুলেটরে BAJUS অটো-রেট ফিচার আছে। ক্যারেট নির্বাচন করামাত্র আজকের বাজুস-নির্ধারিত সর্বশেষ রেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসে আলাদা করে কোথাও গিয়ে দেখে আসার দরকার নেই, নিজে টাইপ করার দরকার নেই। রেট ফিল্ডে "স্বয়ংক্রিয় অথবা নিজে লিখুন" অপশন থাকায় চাইলে নিজের কোনো কাস্টম রেটও দিতে পারেন।

দুটো মোড গ্রাম ও ভরি, দুটো থেকেই হিসাব করা যায়

বাংলাদেশে সোনার ওজন দুই ধরনের এককে বলা হয় কেউ গ্রামে বলেন, কেউ ভরি-আনা-রতিতে। SonarDaam ক্যালকুলেটরে দুটো মোড আলাদাভাবে আছে:

গ্রাম মোড

গ্রাম মোডে সরাসরি গ্রামের পরিমাণ লিখলেই হয়। যারা ডিজিটাল স্কেলে গ্রামে ওজন করা গয়নার হিসাব করতে চান, বা আন্তর্জাতিক হিসাবে কাজ করেন, তাদের জন্য এটা সহজতম পদ্ধতি। যেমন: ১১.৪৫০ গ্রাম লিখে ক্যারেট বাছলেই মুহূর্তে দাম বেরিয়ে আসে।

ভরি মোড ৪টি আলাদা ফিল্ড

এটাই SonarDaam ক্যালকুলেটরের সবচেয়ে অনন্য দিক। ভরি মোডে ওজন দেওয়ার জন্য আলাদা ৪টি ফিল্ড আছে:

ভরি | আনা | রতি | পয়েন্ট

অর্থাৎ দোকানদার যদি বলেন "৩ ভরি ৫ আনা ২ রতি", সেটা হুবহু তিনটি আলাদা ঘরে ভরে দিলেই চলে  আলাদা করে গ্রামে রূপান্তর করার দরকার নেই, ভরির দশমিক হিসাব নিজে বের করার দরকার নেই। ক্যালকুলেটর নিজেই সব একত্রিত করে সঠিক দাম বের করে দেয়।

পয়েন্ট ফিল্ড কেন আছে?

পয়েন্ট হলো রতির আরও ছোট একক। বাংলাদেশের অনেক জুয়েলারি দোকানে, বিশেষ করে পুরনো রসিদে বা ছোট ওজনের গয়নায় (নাকফুল, ছোট দুল, বাচ্চাদের গয়না), পয়েন্টে ওজন উল্লেখ থাকে। এই সূক্ষ্ম পরিমাপটা অন্য ক্যালকুলেটরে সাধারণত পাওয়া যায় না — SonarDaam-এ এটা আলাদা ফিল্ড হিসেবে রাখা হয়েছে।

একক সম্পর্কের হিসাবটা এমন:

  • ১ ভরি = ১৬ আনা
  • ১ আনা = ৬ রতি
  • ১ রতি = ১০ পয়েন্ট

ধাপে ধাপে কীভাবে ব্যবহার করবেন

ভরি মোডে হিসাব করতে:

১. ক্যালকুলেটরে "ভরি" ট্যাব সিলেক্ট করুন ২. ভরি, আনা, রতি ও পয়েন্ট প্রযোজ্য ঘরগুলোতে সংখ্যা লিখুন (যেটা প্রযোজ্য নয় সেটা ০ রাখুন) ৩. "ক্যারেট নির্বাচন করুন" ড্রপডাউন থেকে আপনার গয়নার ক্যারেট বাছুন (২২K, ২১K, ১৮K, ২৪K বা সনাতন) ৪. "স্বর্ণের রেট (BDT)" ফিল্ডে BAJUS অটো-রেট স্বয়ংক্রিয়ভাবে চলে আসবে ৫. "এখনই হিসাব করুন" বাটনে ক্লিক করুন  ফলাফল তাৎক্ষণিকভাবে দেখাবে

গ্রাম মোডে হিসাব করতে:

১. ক্যালকুলেটরে "গ্রাম" ট্যাব সিলেক্ট করুন ২. গ্রামের পরিমাণ লিখুন (যেমন: 11.450) ৩. ক্যারেট বাছুন ৪. অটো-রেট লোড হবে, "এখনই হিসাব করুন" ক্লিক করুন

এই ক্যালকুলেটর কে কে ব্যবহার করতে পারবেন

SonarDaam-এর গোল্ড ক্যালকুলেটর শুধু জুয়েলারি দোকানদারদের জন্য না — সোনার সাথে যেকোনো সম্পর্ক আছে এমন যেকোনো মানুষই এটা কাজে লাগাতে পারবেন। নিচে দুটো আলাদা অংশে সাধারণ গ্রাহক এবং দোকানদার উভয়ের জন্য আলাদাভাবে দেখানো হলো।


সাধারণ গ্রাহকদের জন্য  যারা সোনা কেনেন বা ঘরে গয়না রাখেন

দোকানে যাওয়ার আগে বাজেট নির্ধারণ

বিয়ের গয়না বা ঈদের উপহারের জন্য সোনা কিনতে যাওয়ার আগে একটা সাধারণ প্রশ্ন মাথায় আসে — "এই টাকায় কতটুকু সোনা পাবো, বা এই ওজনের গয়না কিনতে কত লাগবে?" ক্যালকুলেটরে ওজন ও ক্যারেট দিলে আজকের বাজুস রেটে কাঁচা সোনার দাম সাথে সাথে বেরিয়ে আসে। এর উপর মজুরি ও ভ্যাট যোগ হলে মোট বাজেট আগেভাগেই আনুমানিক ঠিক করে নেওয়া যায়।

উদাহরণ: ২ ভরি ৮ আনার একটা হার কিনতে চাইছেন ২২ ক্যারেটে। ক্যালকুলেটরে ভরিতে ২ এবং আনায় ৮ লিখে ক্যারেট বাছলেই মুহূর্তে সোনার কাঁচা দাম বের হয়ে আসে।

দোকানে বসে দাম যাচাই  ঠকে যাওয়ার ভয় নেই

দোকানদার যখন দাম বলছেন, মোবাইলে ক্যালকুলেটরে সেই ওজন ও ক্যারেট দিলে বাজুসের আজকের রেটে আসল দাম তাৎক্ষণিকভাবে দেখা যাবে। যদি দোকানদারের বলা সোনার কাঁচা দাম এর চেয়ে বেশি হয়, তাহলে বুঝতে হবে কোথাও গড়মিল আছে।

টিপস: ক্যালকুলেটরে পাওয়া দামটা শুধু সোনার কাঁচা মূল্য। এর সাথে মজুরি (৬-১০%) ও ভ্যাট যুক্ত হয়ে মোট বিল হয় — এই দুটো আলাদা জিজ্ঞেস করুন।

ঘরের পুরনো গয়নার বর্তমান মূল্য জানুন

বছরের পর বছর আগে কেনা মায়ের গলার হার বা দাদির চুড়ি — এখন সেগুলোর বাজার দাম কত? গয়নার ওজন মেপে ক্যারেট জেনে ক্যালকুলেটরে দিলে আজকের রেটে সেটার আনুমানিক মূল্য বেরিয়ে আসে। পুরনো সোনা বিক্রির কথা ভাবছেন? আগেই জেনে নিন ন্যায্য দাম কতটুকু হওয়া উচিত।

বিয়ের গয়নার হিসাব

বিয়েতে কতটুকু সোনা দেওয়া হবে তার একটা বাজেট তৈরি করতে হলে আলাদা আলাদা গয়নার ওজন ধরে ক্যালকুলেটরে হিসাব করা যায়। হার, চুড়ি, আংটি, ঝুমকা — প্রতিটির আনুমানিক ওজন দিয়ে মোট কাঁচা সোনার খরচ বের করে নিন, তারপর মজুরি ও ভ্যাট যোগ করলে মোট বিয়ের গয়নার বাজেট স্পষ্ট হয়ে যাবে।

বিনিয়োগ হিসেবে রাখা সোনার বর্তমান মূল্য ট্র্যাক করুন

সোনায় বিনিয়োগ করে রেখেছেন? মাঝে মাঝে ক্যালকুলেটরে ওজন দিয়ে দেখুন আজকের বাজারে সেটার মূল্য কত দাঁড়িয়েছে। দাম বাড়লে বুঝতে পারবেন কতটুকু রিটার্ন হলো, আর বিক্রির সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে একটা পরিষ্কার সংখ্যা হাতে থাকবে।

উপহারের বাজেট নির্ধারণ

কাউকে সোনার গয়না উপহার দিতে চান নির্দিষ্ট বাজেটে? ক্যালকুলেটরে উল্টো করে হিসাব করুন — নির্দিষ্ট টাকায় কোন ক্যারেটে কতটুকু সোনা পাবেন, সেটা থেকে কোন ধরনের গয়না সম্ভব হবে তা বুঝে নেওয়া যায়।


জুয়েলারি দোকানদারদের জন্য

পুরাতন সোনা কেনার সময় দ্রুত ক্রয়মূল্য হিসাব

গ্রাহক পুরনো গয়না নিয়ে এলে ভরি-আনা-রতিতে সরাসরি ইনপুট দিয়ে এক সেকেন্ডে সোনার কাঁচা মূল্য বের হয়ে যায় — আলাদা করে গ্রামে রূপান্তর বা ক্যালকুলেটরে দশমিক হিসাবের ঝামেলা নেই।

গ্রাহককে স্বচ্ছ হিসাব দেখানো

দোকানদার যখন মোবাইলে ক্যালকুলেটরে ওজন দিয়ে বাজুস রেটে দাম দেখান, গ্রাহক সাথে সাথে বুঝতে পারেন হিসাবটা সঠিক। এই স্বচ্ছতা গ্রাহকের বিশ্বাস বাড়ায় এবং দরদামে সময় নষ্ট কমায়।

কাস্টম রেটে হিসাব

দোকানদার চাইলে BAJUS অটো-রেটের বদলে নিজের নির্ধারিত রেটও ম্যানুয়ালি দিতে পারবেন। এটা কার্যকর হয় যখন বিশেষ কোনো শর্তে কেনা বা বিক্রির সময় আলাদা রেট ব্যবহার করতে হয়।


ক্যালকুলেটর কোন কোন কাজে সবচেয়ে বেশি উপকারী এক নজরে

ব্যবহারকারীর ধরন কাজ সুবিধা
সাধারণ ক্রেতা কেনার আগে বাজেট যাচাই দোকানে যাওয়ার আগে প্রস্তুত থাকা
সাধারণ ক্রেতা দোকানে বসে দাম যাচাই ঠকার ঝুঁকি কমে
সাধারণ ক্রেতা পুরনো গয়নার মূল্য জানা বিক্রির আগে ন্যায্য দাম বোঝা
বিনিয়োগকারী পোর্টফোলিও মূল্য ট্র্যাকিং রিটার্নের হিসাব পরিষ্কার থাকে
বিয়ের পরিবার গয়নার বাজেট পরিকল্পনা আগেভাগে মোট খরচ অনুমান
জুয়েলারি দোকানদার পুরনো সোনা কেনার হিসাব দ্রুত ও ভুলমুক্ত ক্রয়মূল্য

প্রিমিয়াম ফিচার: পুরাতন স্বর্ণ ক্রয় মূল্য ক্যালকুলেটর

SonarDaam-এ BAJUS ক্যালকুলেটরের পাশাপাশি আরেকটি বিশেষ ক্যালকুলেটর আছে পুরাতন স্বর্ণ ক্রয় মূল্য ক্যালকুলেটর। ইনপুট সিস্টেম একদম একই (ভরি+আনা+রতি+পয়েন্ট বা গ্রাম মোড), কিন্তু এখানে যে রেট অটোমেটিক লোড হয় সেটা পাকা রেট নয় — এটা হলো আজকের বাজারে পুরাতন সোনার প্রকৃত ক্রয় রেট, ক্যারেট অনুযায়ী আলাদা।

এই ক্যালকুলেটরটা মূলত জুয়েলারি দোকানদারদের জন্য — গ্রাহকের পুরাতন গয়নার সঠিক ক্রয়মূল্য দ্রুত হিসাব করতে। তবে একজন চালাক সাধারণ গ্রাহকও এটা থেকে সুবিধা নিতে পারেন — পুরাতন সোনা বিক্রির আগে দোকানদার নিজে সেই সোনা কত দামে বিক্রি করতে পারবেন সেটা আগেভাগে জেনে দরদামে শক্ত অবস্থানে থাকতে পারবেন।

এই ফিচারটা SonarDaam প্রিমিয়াম ব্যবহারকারীদের জন্য — মাত্র ২০০ টাকা/মাস, এবং প্রথমবার রেজিস্ট্রেশনে ১ দিনের ফ্রি ট্রায়াল। বিস্তারিত জানতে পড়ুন পুরাতন স্বর্ণ ক্রয় মূল্য ক্যালকুলেটর আর্টিকেলটি।

ফিচার SonarDaam বেশিরভাগ প্রতিযোগী
BAJUS অটো-রেট ✅ স্বয়ংক্রিয় ❌ ম্যানুয়াল ইনপুট
ভরি + আনা + রতি + পয়েন্ট আলাদা ফিল্ড ✅ আছে ❌ নেই (শুধু ভরি বা গ্রাম)
পয়েন্ট একক সাপোর্ট ✅ আছে ❌ প্রায় কোথাও নেই
গ্রাম ও ভরি — দুই মোড ✅ আছে আংশিক
কাস্টম রেট ইনপুটের সুবিধা ✅ আছে কখনো কখনো
মোবাইলে ব্যবহারযোগ্য ✅ সম্পূর্ণ আংশিক

শেষ কথা

সোনার দাম হিসাব করার সঠিক পদ্ধতি জানা থাকলে কেনা বা বিক্রি যেকোনো পরিস্থিতিতেই আত্মবিশ্বাসের সাথে সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব। SonarDaam-এর BAJUS স্বর্ণ ক্যালকুলেটর বাংলাদেশের বাজারের বাস্তবতা মাথায় রেখে তৈরি — ভরি, আনা, রতি, পয়েন্টের মতো স্থানীয় একক সমর্থন করে, BAJUS অটো-রেট দিয়ে ম্যানুয়াল ঝামেলা বাদ দেয়, এবং গ্রাম ও ভরি দুই মোডেই কাজ করে।

ক্যালকুলেটর ব্যবহার করতে যান SonarDaam গোল্ড ক্যালকুলেটরে, অথবা SonarDaam অ্যান্ড্রয়েড অ্যাপ ইনস্টল করে যেকোনো সময় হাতের কাছে রাখুন।